অনলাইন ডেস্ক: ২০২৬ সালে বাংলাদেশে জিলহজ মাসের চাঁদ ১৮ মে (সোমবার) সন্ধ্যায় দেখা গেছে, তাই ১৯ মে ২০২৬ (মঙ্গলবার) থেকে জিলহজ মাস শুরু হয়েছে। চাঁদ দেখা কমিটি ঘোষণা করেছে যে, পবিত্র ঈদুল আজহা বাংলাদেশে ২৮ মে ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) উদযাপিত হবে
ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের জন্য সেহরি ও ইফতারের সম্ভাব্য সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো:
জিলহজ মাসের সম্ভাব্য রোজার সময়সূচি ২০২৬ (ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চল)
| জিলহজ তারিখ | ইংরেজি তারিখ | বার | সেহরির শেষ সময় | ইফতারের সময় |
| ১ জিলহজ্জ | ১৯ মে, ২০২৬ | মঙ্গলবার | ভোর ৩:৫২ মিনিট | সন্ধ্যা ৬:৩৮ মিনিট |
| ২ জিলহজ্জ | ২০ মে, ২০২৬ | বুধবার | ভোর ৩:check_circle:৫১ মিনিট | সন্ধ্যা ৬:৩৯ মিনিট |
| ৩ জিলহজ্জ | ২১ মে, ২০২৬ | বৃহস্পতিবার | ভোর ৩:৫১ মিনিট | সন্ধ্যা ৬:৩৯ মিনিট |
| ৪ জিলহজ্জ | ২২ মে, ২০২৬ | শুক্রবার | ভোর ৩:৫০ মিনিট | সন্ধ্যা ৬:৪০ মিনিট |
| ৫ জিলহজ্জ | ২৩ মে, ২০২৬ | শনিবার | ভোর ৩:৫০ মিনিট | সন্ধ্যা ৬:৪০ মিনিট |
| ৬ জিলহজ্জ | ২৪ মে, ২০২৬ | রবিবার | ভোর ৩:৫০ মিনিট | সন্ধ্যা ৬:৪১ মিনিট |
| ৭ জিলহজ্জ | ২৫ মে, ২০২৬ | সোমবার | ভোর ৩:৪৯ মিনিট | সন্ধ্যা ৬:৪১ মিনিট |
| ৮ জিলহজ্জ | ২৬ মে, ২০২৬ | মঙ্গলবার | ভোর ৩:৪৯ মিনিট | সন্ধ্যা ৬:৪২ মিনিট |
| ৯ জিলহজ্জ (আরাফাহ) | ২৭ মে, ২০২৬ | বুধবার | ভোর ৩:৪৯ মিনিট | সন্ধ্যা ৬:৪২ মিনিট |
আরাফাহর রোজার ফজিলত
জিলহজ্জ মাসের প্রথম ৯ দিন নফল রোজা রাখা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। তবে এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ৯ই জিলহজ অর্থাৎ আরাফাহর দিনের রোজা
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “আরাফার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি যে, তিনি এর মাধ্যমে পূর্ববর্তী এক বছর এবং পরবর্তী এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।” (সহীহ মুসলিম)
জিলহজ মাসের রোজার নিয়ম ও কিছু জরুরি তথ্য
১. সেহরি ও ইফতারের নিয়ত: রমজান মাসের মতো জিলহজ্জর নফল রোজার জন্যও মনে মনে নিয়ত করাই যথেষ্ট। মুখে আলাদা কোনো আরবি দোয়া পড়া বাধ্যতামূলক নয়।
২. চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল: হিজরি ক্যালেন্ডার চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর এই সূচিতে ১ দিন পরিবর্তন হতে পারে।
৩. যে দিনগুলোতে রোজা রাখা হারাম: আগামী ২৮ মে, ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) ১০ই জিলহজ পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানি উদযাপিত হবে। ঈদের দিন এবং এর পরবর্তী ৩ দিন (আইয়ামে তাশরিক অর্থাৎ ১১, ১২ ও ১৩ জিলহজ) রোজা রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ বা হারাম।
৪. জেলা ভিত্তিক সময় পরিবর্তন: ঢাকার সময়ের সাথে দেশের অন্যান্য জেলার ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী সেহরি ও ইফতারের সময় ১ থেকে ৭ মিনিট পর্যন্ত কম-বেশি হতে পারে। যেমন: সিলেটের জন্য ঢাকার সময় থেকে সেহরি ও ইফতার প্রায় ৬-৭ মিনিট আগে হবে, আবার রাজশাহীর ক্ষেত্রে কয়েক মিনিট পরে হবে।
