২০২৪ সালের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের রোডম্যাপ হিসেবে চূড়ান্ত হয়েছে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ (July Jatio Sanad Final)। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর এই ঐতিহাসিক ঐকমত্যের দলিলটি স্বাক্ষরিত হয়। ২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশন এবং দেশের ২৬টি রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে এই সনদে স্বাক্ষর করে।
বিভিন্ন সংস্কার কমিশন থেকে উঠে আসা গুরুত্বপূর্ণ ৮৪টি প্রস্তাবনার ওপর ভিত্তি করে ২৮ দফার এই সনদটি তৈরি করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য—স্বাধীন বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা, সুশাসন নিশ্চিত করা, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা এবং একটি সাম্য ও মানবিক মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্র-কাঠামো পুনর্গঠন। সংবিধানে এই সংস্কারসমূহ স্থায়ীভাবে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ’ জারি করা হয়েছে এবং ২০২৬ সালের সাধারণ নির্বাচনের পাশাপাশি এটি নিয়ে জাতীয় গণভোটও (Referendum) অনুষ্ঠিত হয়েছে। নতুন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা ও এই ঐতিহাসিক দলিলের বিস্তারিত জানতে সম্পূর্ণ জুলাই জাতীয় সনদ নিচে দেওয়া হল।
